কলকাতা টাইমস নিউজ :নিজস্ব সংবাদদাতা :কলকাতা :২৬ ডিসেম্বর
গানে–প্রার্থনায় বড়দিনের বার্তা: ক্রিসমাসে নিজের নতুন গান প্রকাশ করলেন মমতা, যোগ দিলেন মধ্যরাতের চার্চ প্রার্থনাতেও
বড়দিনের আলোয় ঝলমলে কলকাতা। চার্চের ঘণ্টাধ্বনি, পার্কস্ট্রিটের রোশনাই আর মানুষের হাসিতে উৎসবের মেজাজে মেতেছে শহর। এই আবহেই বড়দিনে রাজ্যবাসীর জন্য বিশেষ উপহার নিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee—নিজের লেখা ও সুর করা এক নতুন গান। শান্তি, সম্প্রীতি আর মানবিকতার বার্তা বহন করা এই গান প্রকাশের পাশাপাশি তিনি যোগ দিলেন মধ্যরাতের প্রার্থনা সভাতেও।
প্রতিবারের মতো এ বছরও বড়দিনে উৎসবের কেন্দ্রবিন্দু Kolkata। বুধবার সন্ধে নামার পর থেকেই ভিড় বাড়তে থাকে চার্চ ও Park Street চত্বরে। এমন আনন্দঘন পরিবেশেই মুখ্যমন্ত্রী তাঁর নতুন ক্রিসমাসের গানটি প্রকাশ্যে আনেন।
https://twitter.com/i/status/2003805358612173229গানটির কথায়–সুরে স্পষ্ট শান্তির বার্তা। ভিডিওতে কলকাতার একাধিক পরিচিত জায়গার ঝলক রয়েছে—তার মধ্যে অবশ্যই চোখে পড়ে পার্কস্ট্রিটের আলোঝলমলে ছবি। শহরের উৎসবী আবহ যেন গানের পরতে পরতে ধরা দিয়েছে।
গান প্রকাশের পর বুধবার গভীর রাতে মুখ্যমন্ত্রী যান Cathedral of the Most Holy Rosary-র মধ্যরাতের প্রার্থনা সভায়। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার Manoj Verma, সাংসদ Derek O'Brien-সহ আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। প্রার্থনা সভায় যোগ দিয়ে তিনি রাজ্যবাসীর জন্য শান্তি ও সৌহার্দ্যের কামনা করেন।
এর আগেই গান প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীকে বড়দিনের শুভেচ্ছা জানান। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বড়দিনে ছোট শিশুদের সঙ্গে কাটানো সময়ের কিছু ছবিও ভাগ করে নেন, যা মানুষের মধ্যে আলাদা উষ্ণতা ছড়ায়।
এটাই প্রথম নয়। রাজনীতির ব্যস্ততার মাঝেও সৃজনশীলতায় বরাবরই সক্রিয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গান লেখা, সুর করা, কবিতা ও গল্প রচনা, এমনকি ছবি আঁকাতেও তাঁর আগ্রহ সুপরিচিত। সাম্প্রতিক সময়ে দুর্গাপুজো ও কালীপুজোতেও তাঁর লেখা ও সুর করা গান মুক্তি পেয়েছে, যা মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ধর্ম–উৎসবের আবহে এই সৃষ্টিগুলি শুধু সাংস্কৃতিক প্রকাশ নয়, বরং সামাজিক সম্প্রীতির বার্তাও বহন করে।
গান আর প্রার্থনা—দুইয়ের মেলবন্ধনে বড়দিনে কলকাতার উৎসব আরও উজ্জ্বল। মুখ্যমন্ত্রীর নতুন গানে যেমন শান্তির আহ্বান, তেমনই চার্চের প্রার্থনায় তাঁর উপস্থিতি বড়দিনের বার্তাকে আরও অর্থবহ করে তুলল। আলো, সুর আর মানবিকতার এই সন্ধিক্ষণেই বড়দিনের কলকাতা।
Continue With Google
Comments (0)